শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মে থেকে শুরু সিজারিয়ান সেবা: বাঁশখালীতে সফল পাঁচটি অপারেশন বন্যার পানি নামলেও বাঁশখালীতে সাপের আতঙ্ক বাড়ছে বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত ৩৫০ পরিবারকে ত্রাণসহায়তা দিলেন ডার্মা ফ্যামিলি ফাউন্ডেশন ধৈর্য ধরুন, বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে: বাঁশখালীতে আমির খসরু শীলকূপে ৬০০ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণের চাল বিতরণ বাঁশখালীতে ট্রলিংবোট, জাল ও মাছ জব্দ, আটক ১৩ জেলে বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে খুলশী ক্লাব, ৬ লাখ টাকা নগদ সহায়তা বিতরণ বাঁশখালীতে গৃহহারা ও কৃষকদের পুনর্বাসনে ৮ লাখ টাকা দিল মোজাম্মেল হক মানব কল্যাণ  ফাউন্ডেশন বাঁশখালীতে কোস্ট গার্ডের বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্পে ৬ শতাধিক বন্যার্ত পেলেন চিকিৎসাসেবা বাঁশখালীর বন্যার্ত এক হাজার পরিবারের পাশে চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি

বন্যার পানি নামলেও বাঁশখালীতে সাপের আতঙ্ক বাড়ছে

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

শিব্বির আহমদ রানা::: চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ভয়াবহ বন্যার পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করলেও নতুন করে দেখা দিয়েছে সাপের আতঙ্ক। প্লাবিত জনপদে বানের পানির সঙ্গে ভেসে আসা বিভিন্ন প্রজাতির সাপ এখন বসতঘর, উঠান, রান্নাঘর, গোয়ালঘর ও স্যাঁতসেঁতে স্থানে আশ্রয় নেওয়ায় দিন-রাত আতঙ্কে রয়েছেন বাসিন্দারা। বিশেষ করে রাত নামার পর এই আতঙ্ক আরও বেড়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক বন্যায় উপজেলার প্রায় ৪৫ হাজার বসতঘরে পানি প্রবেশ করে। এতে পাঁচ হাজারের বেশি মাটির ঘর ধসে পড়ে এবং কয়েক হাজার টিন ও ছনের তৈরি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পানি কমতে শুরু করলেও অধিকাংশ ঘরে এখনও কাদা, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ ও নানা ধরনের আবর্জনা জমে রয়েছে। এসব স্থানে আশ্রয় নিচ্ছে বিষধর ও নির্বিষ বিভিন্ন প্রজাতির সাপ। ফলে ঘর পরিষ্কার করা কিংবা স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরতে গিয়ে অনেকেই সাপের কামড়ের শিকার হচ্ছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, বন্যা ও বন্যা-পরবর্তী সময়ে রিপোর্ট লেখাপর্যন্ত সময়ে সাপে কাটা ২২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। চিকিৎসা শেষে সবাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সাইফুল ইসলাম আমিন বলেন, ‘এ পর্যন্ত আমাদের হাসপাতালে ২২ জন সাপে কাটা রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং সবাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তাদের কাউকেই অ্যান্টিভেনম দিতে হয়নি। কারণ, পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, কোনো রোগীকেই বিষধর সাপ কামড় দেয়নি। তাই অ্যান্টিভেনম প্রয়োগের প্রয়োজন হয়নি।’

বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমা আক্তার বলেন, ‘সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে। এখন পর্যন্ত যেসব রোগী এসেছেন, তাদের কারও অ্যান্টিভেনমের প্রয়োজন হয়নি। তবে কেউ সাপের কামড়ে আক্রান্ত হলে ঝাড়ফুঁক বা কুসংস্কারের আশ্রয় না নিয়ে দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে আসতে হবে। দ্রুত চিকিৎসা নিলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বন্যা-পরবর্তী সময়ে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ওষুধ ও পর্যাপ্ত খাবার স্যালাইন মজুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে আমাদের মেডিকেল টিম নিয়মিত চিকিৎসাসেবা প্রদান করছে। গতকাল ছনুয়া ও কাথারিয়া ইউনিয়নে পরিচালিত দুটি মেডিকেল ক্যাম্পে প্রায় ২ হাজার ২০০ জনকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।’

স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন বন্যাকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের ঘরে প্রবেশের আগে সতর্কতা অবলম্বন, জমে থাকা আবর্জনা পরিষ্কার করার সময় লম্বা লাঠি ব্যবহার, রাতে টর্চলাইট ব্যবহার এবং শিশুদের একা চলাফেরা না করার পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি সাপের কামড়ের ঘটনায় সময় নষ্ট না করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews