সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি কামরুল ইসলাম হোসাইনী পুলিশ দেখে কাভার্ডভ্যান রেখে চালকের পলায়ন, মিলল ১০ হাজার ইয়াবা কালীপুরের মাদকের ডিলার খ্যাত জাহাঙ্গীরের কথিত মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল জনতা বাঁশখালীতে ১৫৮ কৃতি শিক্ষার্থীকে মাস্টার নজির আহমদ ট্রাস্টের সংবর্ধনা সবুজ ভুবন গড়ার প্রত্যয়ে বাঁশখালীতে ‘আমার গ্রাম’-এর উদ্যোগে ১ হাজার ১০০ বৃক্ষরোপণ বাঁশখালী পূজা উদযাপন পরিষদের কমিটিতে সভাপতি শেখর দত্ত, সম্পাদক সঞ্জয় চক্রবর্তী বাঁশখালী সচেতন নাগরিক ফোরাম দিল বন্যাকবলিত ৫০ পরিবারকে পুনর্বাসন সহায়তা বাঁশখালীতে ‘মানবতার কল্যাণে আমরা’র বর্ষপূর্তি ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ফুয়েল ট্যাংকের পাশে লুকানো ৭ হাজার ইয়াবা, বাঁশখালীতে গ্রেপ্তার ১ বাঁশখালীতে পৈত্রিক সম্পত্তি বিরোধে প্রবাসীর শতাধিক কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ

বাঁশখালীতে বন্যপ্রাণী রক্ষায় অভিযান: টিয়াপাখিসহ এক যুবক আটক

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
  • ২১৭ বার পড়া হয়েছে

বাঁশখালী সংলাপ:::চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় বন্য পরিবেশ থেকে ধরে আনা টিয়াপাখি বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে ইয়াছিন হোসেন রুবেল (২১) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

সোমবার (৪ মে) দুপুরে উপজেলার বাণীগ্রাম নিউমার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটক রুবেল সাধনপুর ইউনিয়নের ভোলমারা এলাকার বাসিন্দা।

বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, রুবেল দীর্ঘদিন ধরে বন্য পরিবেশ থেকে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ধরে এনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Facebook-এ বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপন দিতেন। বিষয়টি নজরে এলে চট্টগ্রাম বনবিভাগের এক ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউয়ার ক্রেতা সেজে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরবর্তীতে বাঁশখালীর রামদাস মুন্সির হাট তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মা টিয়াপাখি ও তিনটি বাচ্চা টিয়াপাখি উদ্ধার করা হয়।

আটকের পর একই দিন বাঁশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওমর সানী আকনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। আদালত বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২-এর ১২(১) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে তাকে একই আইনের ৩৯ ধারা অনুযায়ী ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন, যা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওমর সানী আকন বলেন, ‘বন্যপ্রাণী ধরা, সংরক্ষণ বা বিক্রি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ। জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

এ সময় মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাঁশখালী উপকূলীয় বনবিভাগের বিট কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম।

উদ্ধার করা চারটি টিয়াপাখিকে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক-এ পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরিচর্যা শেষে সেগুলো বন্য পরিবেশে অবমুক্ত করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews