রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দিন-রাত এক করে বাঁশখালীতে পানি নিষ্কাশনে এসি (ল্যান্ড) ওমর সানীর সাঁড়াশি অভিযান বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত ৫৫০ পরিবারের পাশে মোজাম্বিক আস্কারিয়া মানবিক ফাউন্ডেশন বাঁশখালীতে ২ হাজার বন্যাদুর্গত পরিবার ও শ্রমিককে বাস মালিক সমিতির ত্রাণ সহায়তা বাঁশখালীতে স্মরণকালের বন্যায় তিন খাতে ক্ষতি শত কোটি টাকার বেশি বাঁশখালীতে বন্যায় ৮ হাজারের বেশি নলকূপ ক্ষতিগ্রস্ত, বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট ছনুয়ার শতাধিক বন্যার্ত পরিবারের পাশে মধুখালি একতা সংঘ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সিএনজি ও রিকশাচালকদের পাশে চাম্বল শ্রমিক সমবায় সমিতি বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বিএমএসএস-ইপসার চিকিৎসা ক্যাম্প, সেবা পেলেন ৩’শতাধিক মানুষ বন্যার বিভীষিকা ‘ফেসবুকের চেয়ে বাস্তবতা ছিল আরও কঠিন’–ডা. মুমিনুল হকের স্মৃতিচারণ মে থেকে শুরু সিজারিয়ান সেবা: বাঁশখালীতে সফল পাঁচটি অপারেশন

দিন-রাত এক করে বাঁশখালীতে পানি নিষ্কাশনে এসি (ল্যান্ড) ওমর সানীর সাঁড়াশি অভিযান

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

শিব্বির আহমদ রানা::: চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় ভয়াবহ বন্যার পর পানি দ্রুত নিষ্কাশন, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং জনদুর্ভোগ কমাতে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। ত্রাণ কার্যক্রমের পাশাপাশি পাহাড়ি ছড়া, খাল, স্লুইস গেট ও পানি নিষ্কাশন নালার স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে দিন-রাত নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত হচ্ছে এ অভিযান।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে গত ৯ জুলাই থেকে বাঁশখালীতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং ১৩ জুলাই পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে। ১৪ জুলাই থেকে পানি কমতে শুরু করলে বন্যা-পরবর্তী দুর্ভোগ লাঘবে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাকে সচল রাখতে বিশেষ উদ্যোগ নেয় প্রশাসন।

এর অংশ হিসেবে উপজেলার ছনুয়া, পুঁইছড়ি, সরল, বাহারছড়া, খানখানাবাদ, বৈলছড়ি, কালীপুর, কাথরিয়া, পৌরসভাসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ি ছড়া, খাল ও স্লুইস গেটের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এমন সব অবৈধ স্থাপনা ও বাধা অপসারণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাঁশখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওমর সানী আকন।

অভিযানে স্লুইস গেট ও খালের মুখে স্থাপিত অবৈধ মাছ ধরার জাল অপসারণ ও ধ্বংস করা হচ্ছে।একই সঙ্গে পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে বসানো বালুর বস্তা, খালের মধ্যে নির্মিত অবৈধ বাঁধ এবং খালের ওপর গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজন অনুযায়ী সীমিত পরিসরে খননকাজও পরিচালনা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া গৃহস্থালি, হাট-বাজার ও দোকানপাটের বর্জ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া পানি নিষ্কাশন নালা পরিষ্কার করে সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এসব বর্জ্য ফেলে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করেছে, তাদের শনাক্ত করে প্রচলিত আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করা, জলাবদ্ধতা দূর করা এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের দুর্ভোগ এড়াতে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাকে কার্যকর রাখতে এ অভিযান ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews