
নিজস্ব সংবাদদাতা::: চট্টগ্রামের বাঁশখালীর সরল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত কাহারঘোনা গ্রাম থেকে যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসাঙ্গনে নিজের মেধা, যোগ্যতা ও কর্মনিষ্ঠার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন ডা. মুহুয়া বড়ুয়া (বর্ষা)। তিনি সরল ইউনিয়নের কাহারঘোনা গ্রামের অধ্যাপক তুষিত কুমার বড়ুয়া ও জয়া বড়ুয়ার তৃতীয় সন্তান।
যুক্তরাষ্ট্রের Loyola University Chicago Stritch School of Medicine থেকে Doctor of Medicine (M.D.) ডিগ্রি অর্জনের পর ডা. মুহুয়া বড়ুয়া সফলতার সঙ্গে Family Medicine-এ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসেবায় সমতা বা Health Equity প্রতিষ্ঠা এবং নবীন চিকিৎসকদের পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার (Mentoring) ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
চিকিৎসাক্ষেত্রে তাঁর নিষ্ঠা ও অবদানের স্বীকৃতিও মিলেছে। ২০২৫ সালে তিনি মর্যাদাপূর্ণ STFM Foundation-এর Faculty for Tomorrow Resident Scholarship অর্জন করেন। এই স্বীকৃতি তাঁর পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বাঁশখালীর একটি প্রত্যন্ত গ্রামের সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসাঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করা ডা. মুহুয়া বড়ুয়া (বর্ষার) এই পথচলা শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়; এটি পরিবার, নিজ এলাকা এবং বৃহত্তর বাংলাদেশি সমাজের জন্যও গর্ব ও অনুপ্রেরণার বিষয়।
বিশেষ করে বাঁশখালীর মতো প্রত্যন্ত এলাকার তরুণ-তরুণীদের জন্য তাঁর সাফল্য প্রমাণ করে–মেধা, অধ্যবসায়, শিক্ষা ও মানবসেবার মানসিকতা থাকলে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব।
ডা. মুহুয়া বড়ুয়ার এই অর্জনে তাঁর পরিবার, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পাশাপাশি বাঁশখালীর মানুষও গর্বিত। তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মজীবন আরও বিস্তৃত হবে এবং চিকিৎসাসেবার মাধ্যমে মানুষের কল্যাণে তিনি আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন–এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।