বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টানা ৪দিনের বৃষ্টিতে শীলকূপে পানিবন্দি ৬ শতাধিক পরিবার, পাহাড়ধসে বিধ্বস্ত ৭ বসতঘর শেষ সম্বল আঁকড়ে বর্ষার সঙ্গে লড়ছে দিনমজুর ফজল করিমের পরিবার বর্ষণ-জোয়ারে ডুবছে বাঁশখালী, ধস বেড়িবাঁধে: আতঙ্কে কাটছে মানুষের দিন কাদা-পানিতে ডুবে যাতায়াতের পথ, চরম দুর্ভোগে দক্ষিণ রত্নপুর বাঁশখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরাপত্তা জোরদারে ১০ আনসার সদস্যের আনুষ্ঠানিক যোগদান কর্মদক্ষতার নজির গড়ে বাঁশখালী ছাড়ছেন ‘মাদকের আতংঙ্ক’ এসিল্যান্ড ওমর সানী আকন বাঁশখালীতে দুই সিএনজির সংঘর্ষে ব্যবসায়ীর মৃত্যু, আহত ১ বিবেকের মৃত্যু হলে সভ্যতা শুধু নামেই টিকে থাকে তৈলারদ্বীপ সেতুর টোল ইজারা বাতিল চেয়ে স্মারকলিপি প্রদান বাঁশখালীতে চলন্ত যাত্রীবাহী হাইচে আগুন, মুহূর্তেই পুড়ে ছাই পুরো গাড়ি

টানা ৪দিনের বৃষ্টিতে শীলকূপে পানিবন্দি ৬ শতাধিক পরিবার, পাহাড়ধসে বিধ্বস্ত ৭ বসতঘর

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক::: টানা চার দিনের ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার নিম্নাঞ্চলগুলো পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে শীলকূপ ইউনিয়নের পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৬ শতাধিক পরিবার জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে পড়েছে। ইতোমধ্যে ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০ বসতঘরে পানি প্রবেশ করেছে। অন্যদিকে ইউনিয়নের পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় পাহাড়ধসে অন্তত ৭টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাহাড়ধসের আশঙ্কায় অনেক পরিবার ইতোমধ্যে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ধসের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের হেডপাড়ার পশ্চিমাংশ, নতুনপাড়া এবং ১ নম্বর ওয়ার্ডে দুই শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশনের পথ ও কালভার্ট প্রভাবশালী মহল দখল করে বসতঘর নির্মাণ করায় পানি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ফলে সামান্য অতিবৃষ্টিতেই বিস্তীর্ণ এলাকা জলাবদ্ধতার শিকার হচ্ছে। একইভাবে মহল্লাপাড়া বাজারসংলগ্ন পশ্চিমাঞ্চলও পানিতে তলিয়ে গেছে।

এ ছাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিমাংশ, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণাংশ, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সিকদার বাড়ির পশ্চিমাংশ এবং ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকাও পানিবন্দি রয়েছে।

অন্যদিকে ইউনিয়নের পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ঘেরা ৯ নম্বর ওয়ার্ডে টানা চার দিনের বর্ষণে এ পর্যন্ত অন্তত ৭টি বসতঘর পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা যায়। পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে অনেক পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে গেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

বুধবার বিকেলে ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি এলাকা পরিদর্শন করেন শীলকূপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ নুরী। তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে এমন টানা ভারী বৃষ্টিপাত দেখা যায়নি। অতিবর্ষণের কারণে পাহাড়ে বসবাসকারী অনেক মানুষ ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। একই সঙ্গে ইউনিয়নের পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৬ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থে দীর্ঘদিনের পানি চলাচলের পথ ও কালভার্ট বন্ধ করে দেওয়ায় স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলেই অধিকাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পানি চলাচলের পথ উন্মুক্ত থাকলে এমন দুর্ভোগের মুখে পড়তে হতো না।’

চেয়ারম্যান আরও জানান, তিনি সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গ্রামপুলিশ পানিবন্দি পরিবারের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews