
সংলাপ সংবাদদাতা::: চট্টগ্রামের বাঁশখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দ বাহার উল্লাহ পাড়ায় একটি বসতঘরে দুর্ধর্ষ চুরির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতের কোনো একসময় মৌলভী জমশেদ আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরিবারের দাবি, চোরেরা জানালার লোহার রড বাঁকিয়ে ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে গেছে। চুরি যাওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ১০ লাখ টাকার বেশি বলে জানিয়েছে পরিবার।
বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ৩টার দিকে চোরেরা বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় ঘরের বারান্দার জানালার লোহার রড বাঁকিয়ে ভেতরে ঢোকে তারা। পরে ঘরের বিভিন্ন কক্ষের আসবাবপত্র ও আলমারি তছনছ করে মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায় বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার।
শুক্রবার সকালে পরিবারের সদস্যরা ঘুম থেকে উঠে ঘরের বিভিন্ন কক্ষের আসবাবপত্র এলোমেলো ও আলমারি খোলা অবস্থায় দেখতে পান। পরে তারা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী লুট হয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হন।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য আবদুল্লাহ আল আবছার বলেন, ‘ঘটনার সময় আমার মা বাড়িতে ছিলেন না। আমার বাবা একটি কক্ষে এবং ভাগিনারা আরেকটি কক্ষে ছিলেন। আমি পাশের একটি কক্ষে ছিলাম। এই সুযোগে চোরেরা জানালার রড বাঁকিয়ে ঘরে প্রবেশ করে। পরে আমার বাবার কক্ষটি বাইরে থেকে হুক লাগিয়ে দেয়। এরপর অন্য কক্ষগুলো থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে আমরা চুরির বিষয়টি জানতে পারি।’
পরিবারের সদস্যরা জানান, চোরেরা ঘটনাস্থলে দুটি লুঙ্গি ফেলে গেছে। এগুলো চোরদের ব্যবহৃত হতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।
চুরির বিষয়টি বাঁশখালী থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। তবে এ ঘটনায় এখনো থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।
বাঁশখালী থানার উপপরিদর্শক (তদন্ত) শুধাংশু শেখর হালদার বলেন, ‘চুরির বিষয়ে এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে, চুরির ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।