
সংলাপ সংবাদদাতা::: চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে শারদীয় দুর্গাপূজার বিজয়া দশমী উপলক্ষে মহাসমারোহে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বিসর্জন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করে উপজেলা প্রশাসন। বিসর্জনস্থলসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।
বুধবার (২১ অক্টোবর) উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের বানীগ্রাম স্কুল পুকুরে প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতিকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন।
বিজয়া দশমী উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ থেকে প্রতিমা নিয়ে বিসর্জনস্থলে আসেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।
সাধনপুরের বানীগ্রাম স্কুল পুকুরে প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল তপন মিত্র এবং বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক।
সাধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে এম সালাহ উদ্দিন কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাঁশখালী পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি লায়ন শেখর দত্ত, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় চক্রবর্তী মানিক, চৌধুরী মিয়া মুহাম্মদ আশেক-এলাহী সোহেল প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউপি সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন।
উপজেলা সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালীর ৮৮টি পূজামণ্ডপে অনুষ্ঠিত সার্বজনীন দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। এর মধ্যে সাধনপুরে দুটি, পুকুরিয়ায় তিনটি, কালীপুরে দুটি, বাহারছড়া সৈকতে দুটি, বৈলছড়িতে দুটি, বাঁশখালী পৌরসভা এলাকায় তিনটি, শীলকূপে দুটি, চাম্বলে তিনটি এবং পুঁইছড়ি ও শেখেরখীলে একটি করে প্রতিমা নির্ধারিত স্থানে বিসর্জন দেওয়া হয়। বাকি প্রতিমাগুলো নিজ নিজ পূজামণ্ডপের পুকুরে বিসর্জন দেওয়া হয়।