সাংবাদিকতা পেশাকে বলা হয় সমাজের চতুর্থ স্তম্ভ। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের প্রশ্নে সাংবাদিকতার ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু দুঃখজনক সত্য হলো- এই মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিককে প্রায়ই পড়তে হয় ভয়ংকর
বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে সাপের কামড় দীর্ঘদিন ধরেই ভয়াবহ জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিরাজ করছে। ধানক্ষেত, খামার, বাগান কিংবা বসতভিটায় কাজ করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত বহু মানুষ সাপের দংশনের শিকার হচ্ছেন। দুর্ভাগ্যজনক হলেও
ডিজিটাল যুগে ফেসবুক আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। তথ্য আদান-প্রদান, যোগাযোগ, বিনোদন থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু এ মাধ্যমের ইতিবাচক ব্যবহার যেমন সমাজকে এগিয়ে নিতে
ইসরায়েল কাতারে যুদ্ধ বিরতির আলোচনা চলাকালীন হামলা চালিয়েছে। খবরটি ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বমিডিয়ায়। অথচ আশ্চর্যের বিষয়, এত বড় ঘটনার পরও দোহা থেকে কোনো প্রতিবাদ, কোনো কোনো কড়া বার্তা শোনা যায়নি। যেন
বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গন আজ আর কেবল জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র নয়—এগুলো ক্রমেই পরিণত হচ্ছে নৈরাজ্যের দুর্গে। যেখানে মেধা ও মননের বিকাশ হওয়ার কথা, সেখানে দাপট দেখাচ্ছে দখল, সহিংসতা ও রক্তাক্ত রাজনীতি। বিশেষ করে
চিকিৎসা সেবা মানবতার অন্যতম মহৎ পেশা। প্রাচীনকাল থেকে চিকিৎসককে সমাজে জ্ঞানী, দয়ালু ও মানবিক প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। রোগীরা ডাক্তারকে মানেন অভিভাবকের মতো, যার হাতে তাদের জীবন-মৃত্যুর ভার। কিন্তু দুঃখজনকভাবে,
বাংলাদেশের বর্তমান সমাজে তরুণদের জন্য সবচেয়ে বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে কর্মসংস্থান। শিক্ষার দীর্ঘ যাত্রা শেষ করে যখন তারা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করতে চায়, তখনই সামনে আসে অদ্ভুত এক বাস্তবতা। বছরের পর
একটা শিরোনাম, এক-দু’টি ছবি, রঙিন ডিজাইন—তার নিচে বড় অক্ষরে লেখা “বিস্তারিত কমেন্টে”। ব্যস, এটুকুই। এভাবেই এখন গড়ে উঠছে নতুন প্রজন্মের তথাকথিত সাংবাদিকতা। অথচ যারা এসব করছে, তাদের অনেকেই আদৌ সাংবাদিকতার
রাজনৈতিক সচেতনতা; তার মানে এই নয় যে শুধু রাজনীতি জানা। মূলত রাষ্টের সংবিধান, অধিকার-দায়িত্ব, নিবাচন ও বাজেট পলিসি কীভাবে হয়? গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো কি কাজ করে এসব বিষয়ে যথাযথ জ্ঞান আর
মানবজীবনের প্রতিটি ধাপে ইসলামী শরীয়াহ্ আমাদের জন্য পথপ্রদর্শক। একজন মুসলমান জন্মের মুহূর্ত থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যে জীবনযাত্রা অনুসরণ করে, তা মূলত শরীয়াহ্-নির্দেশিত। শিশুর জন্মের পরপরই তার ডান কানে আজান ও