উড়না, দৈনন্দিন জীবনে অনেক নারীর পোশাকের অংশ। সৌন্দর্য ও শালীনতার প্রতীক হলেও উড়নার একটি দিক প্রায়ই অবহেলিত থাকে, আর তা হলো নিরাপত্তা। বিশেষ করে রিকশা, সিএনজি, মোটরসাইকেল বা খোলা ধরনের
দেশের গণমাধ্যম আজ এক গভীর সঙ্কটের মুখোমুখি। স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা যেখানে রাষ্ট্র ও সমাজের শক্ত ভিত্তি হওয়ার কথা, সেখানে এখন এক শ্রেণির অপেশাদার, সুযোগসন্ধানী ও অসাধু ব্যক্তির দৌরাত্ম্যে
এক সময় আগুন লাগলে মানুষ দৌড়ে যেত সাহায্য করতে। পাড়ার মানুষ, আত্মীয়-স্বজন, এমনকি অচেনা পথচারী পর্যন্ত মগ, কলসি, বালতি হাতে ছুটে যেত আগুন নেভাতে। পুকুর, খাল বা জলাশয় থেকে পানি
সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। শব্দটি সহজ হলেও এর দায়বদ্ধতা, ত্যাগ ও ঝুঁকি- সবচেয়ে বেশি। ‘কলম সৈনিক’ নামে পরিচিত সাংবাদিক সমাজের বিবেক। তারা জানেন, ঝুঁকি আছে; তবুও পেশাগত দায়িত্ব পালন করে
একসময় যে ভারতে দেওবন্দ মাদ্রাসাকে ‘তালিবানি ঘাঁটি’ আখ্যা দিয়ে তা ভেঙে দেওয়ার দাবি উঠেছিল, আজ সেই ভারতই রাষ্ট্রীয় প্রোটোকলে তালিবান নেতা আমীর খান মুত্তাকীকে মর্যাদাপূর্ণ অভ্যর্থনা জানাচ্ছে। ইতিহাস যেন নিজের
মানুষই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, কারণ তার আছে বিবেক, ন্যায়বোধ ও মানবতা। কিন্তু যখন মানুষই নিজের হাতে গড়ে তোলে এমনসব সামাজিক প্রথা, যা অন্য মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও সুখ কেড়ে নেয়-
ভোট মানেই মানুষের প্রত্যাশা, স্বপ্ন আর ভবিষ্যৎ বদলের একমাত্র বৈধ পথ। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, ভোটের আগে আর ভোটের পরে আমাদের বাস্তব চিত্র আকাশ-পাতাল ভিন্ন। ভোটের আগে প্রতিশ্রুতির মেলা বসে।
সাংবাদিকতা পেশাকে বলা হয় সমাজের চতুর্থ স্তম্ভ। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের প্রশ্নে সাংবাদিকতার ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু দুঃখজনক সত্য হলো- এই মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিককে প্রায়ই পড়তে হয় ভয়ংকর
বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে সাপের কামড় দীর্ঘদিন ধরেই ভয়াবহ জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিরাজ করছে। ধানক্ষেত, খামার, বাগান কিংবা বসতভিটায় কাজ করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত বহু মানুষ সাপের দংশনের শিকার হচ্ছেন। দুর্ভাগ্যজনক হলেও
ডিজিটাল যুগে ফেসবুক আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। তথ্য আদান-প্রদান, যোগাযোগ, বিনোদন থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু এ মাধ্যমের ইতিবাচক ব্যবহার যেমন সমাজকে এগিয়ে নিতে