মানবজীবনের প্রতিটি ধাপে ইসলামী শরীয়াহ্ আমাদের জন্য পথপ্রদর্শক। একজন মুসলমান জন্মের মুহূর্ত থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যে জীবনযাত্রা অনুসরণ করে, তা মূলত শরীয়াহ্-নির্দেশিত। শিশুর জন্মের পরপরই তার ডান কানে আজান ও
কোটাবিরোধী আন্দোলনে যখন সারাদেশ উত্তাল, আমি তখন গ্রামে থাকলেও মনটা পড়ে থাকত শহরে। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের প্রায় সব শহরে আন্দোলন দিন দিন তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছিল। কিন্তু গ্রামে তখনও সেরকমভাবে
শেখেরখীল, চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা। দিনটি ছিল ৪ আগস্ট। এ তারিখ কেবল একটি দিন নয়, বরং যন্ত্রণা, প্রতিবাদ ও ত্যাগের প্রতীক। বাঁশখালীর শেখেরখীল আজও সাক্ষী হয়ে আছে কীভাবে ন্যায়ের দাবিতে রাস্তায়
দক্ষিণ চট্টগ্রামের একটি উপজেলা বাঁশখালী। যার প্রধান সড়ক; তীব্র যানজট ও ভাড়া নৈরাজ্যের স্বর্গরাজ্য। এই সড়কের একদিকে যেমন থাকে তীব্র যানজট অন্যদিকে থাকে ভাড়া নৈরাজ্যের মতো যান মালিক পক্ষের দিন
চট্টগ্রামে বৃষ্টি এখন আর প্রকৃতির ছন্দ নয়, এটি হয়ে উঠেছে এক প্রকার রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার প্রতীক। বৃষ্টি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই শহরের মানুষ যে ভয় নিয়ে দরজা বন্ধ করে, সে
বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জ কিংবা শহর-সবখানেই মসজিদ ও মাদরাসা আমাদের ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনের অপরিহার্য অংশ। এগুলো শুধুই ইবাদতের স্থান নয়, বরং মানবিকতা, একতা ও সম্প্রীতিরও কেন্দ্র। কিন্তু দুঃখজনকভাবে অনেক এলাকায় দেখা
প্রবাসীরা কেবল অর্থ পাঠান না—তাঁরা প্রিয় মাতৃভূমির জন্য এক অপ্রতিরোধ্য নির্ভরতার নাম। তাঁরা দেশের জন্য পরিশ্রম করেন, ঘাম ঝরান, জীবন উৎসর্গ করেন-তবু প্রাপ্য সম্মান পান না। সময় এসেছে তাঁদের ‘রেমিট্যান্স
রাষ্ট্রীয় কাঠামোর বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সামনে জনগণের দীর্ঘ লাইন নয়, বরং পেছনের ছায়াময় লেনদেনই আমাদের অনেক সমস্যা জিইয়ে রাখছে। থানায় যাবে ভিকটিম, ভূমি অফিসে যাবে ক্ষতিগ্রস্তরা-এটাই তো ছিল কাঙ্ক্ষিত চিত্র।
জুম’আর নামায আদায় করতে ইতোমধ্যে বেশকিছু মসজিদে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই জুম’আর দিনে মসজিদের প্রায়ই ইমাম সাহেবের আলোচনা অগোছালো, অপ্রাসঙ্গিক এবং কিচ্ছাকাহিনী নির্ভর! ধর্মীয় আলোচনা হয় ঠিকই কিন্তু
একটি জনপদের সভ্যতা ও সংস্কৃতির পরিচয় মেলে তার ইতিহাসচিহ্ন, অবকাঠামো ও মূল্যবোধে। গুণীজনদের স্মৃতিকে ধারণ করে যে যাত্রাপথ সমাজে গড়ে ওঠে, সেসব পথে তাঁদের নামে সড়ক নামকরণও একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক