
বাঁশখালী সংলাপ::: বাঁশখালী একটি বহুধর্মীয় সহাবস্থানের সম্প্রীতির জনপদ। এখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ একে অপরের উৎসব, পূজা-পার্বণ ও সামাজিক আয়োজনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে-যা ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এমন মন্তব্য করেছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বাঁশখালী আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, বাঁশখালীর গুনাগরি ঋষিধামে আয়োজিত দ্বাবিংশতিতম আন্তর্জাতিক ঋষি কুম্ভ ও কুম্ভমেলা শুধু একটি ধর্মীয় আয়োজন নয়, বরং এটি সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সহমর্মিতার অনন্য নিদর্শন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে মেলার আয়োজকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘মেলার প্রস্তুতির শুরু থেকেই আমি বিভিন্ন স্পট ঘুরে ঘুরে আয়োজনের বিষয়গুলো প্রত্যক্ষ করেছি। বিশাল এই আয়োজনে শৃঙ্খলা, ব্যবস্থাপনা ও আপ্যায়নের বিষয়টি সত্যিই প্রশংসনীয়। ভান্ডারখানাসহ মেলায় আগত ভক্তদের জন্য যে আন্তরিক আতিথেয়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তা আমাকে গভীরভাবে মুগ্ধ করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাম্পেইনের সময় উপজেলার সনাতনী সম্প্রদায়ের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। সবার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ। আমার পর্যবেক্ষণে মনে হয়েছে-এই আন্তর্জাতিক আয়োজনে সনাতনী সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় ঐক্য ও পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত দৃঢ়। ভক্তবৃন্দের প্রতি দরদপূর্ণ মেহমানদারী, কায়িক শ্রম, ধৈর্য ও আন্তরিকতা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।’
অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘বাঁশখালী সব সময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে-এই মেলা তারই প্রমাণ।’
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঋষি কুম্ভ মেলার সপ্তম দিনে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- ঋষি কুম্ভ ও কুম্ভ মেলার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট অনুপম বিশ্বাস, শিব সংঘের সাধারণ সম্পাদক বিমল কান্তি দেব, সদস্য সচিব চন্দ্র শেখর মল্লিক, অর্থ সচিব তড়িৎ কান্তি গুহ, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক জিহাদী, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম সাইফুল ইসলাম মিনার, কালীপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মো. আশরাফ হোসেন, এবং জামায়াত নেতা মো. সেলিমসহ সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ।