রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাঁশখালীতে ডিগ্রি পরীক্ষাকেন্দ্র এখন সময়ের দাবি ২০ বছরের প্রবাস জীবনের ইতি, কফিনে ফিরল বাঁশখালীর মামুনুরের লাশ বাঁশখালীর ১৬০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৮৭ শিক্ষক পদ শূন্য, শিক্ষা অফিসেও জনবল সংকট বাঁশখালীতে আরএসসি প্রপার্টির নতুন অফিস উদ্বোধন ‘প্রশাসনের চেয়ারে বসলে রাজনীতি ছাড়ুন’–বাঁশখালীতে জামায়াত নেতার হুঁশিয়ারি বাঁশখালীতে সংরক্ষিত বনভূমির সেগুন পাচার, ৩১ গুঁড়ি জব্দ; গ্রেপ্তার ১ ৩৫ কিলোমিটার দূরে আনোয়ারায় গিয়ে পরীক্ষা দিতে হয় বাঁশখালীর হাজারো শিক্ষার্থীকে মোটরসাইকেলে গোপনে ইয়াবা বহন, বাঁশখালীতে দুই যুবক গ্রেপ্তার বাঁশখালীতে চেতনানাশক প্রয়োগ করে ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা চুরির অভিযোগ, নারী গ্রেপ্তার লিও ক্লাব অব চিটাগং অনির্বাণ এর চার্টার বর্ষের কমিটি ঘোষণা

বাঁশখালীতে ডিগ্রি পরীক্ষাকেন্দ্র এখন সময়ের দাবি

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

ট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পাঁচটি ডিগ্রি কলেজ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে ডিগ্রি (পাস) কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৯০০ থেকে ১০০০। সংখ্যাটি নিছক একটি পরিসংখ্যান নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষা গ্রহণের বাস্তবতা, তাঁদের পরিবার, সময়, অর্থ এবং ভবিষ্যৎ। অথচ এতগুলো ডিগ্রি কলেজ ও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী থাকা সত্ত্বেও বাঁশখালী উপজেলায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি (পাস) পরীক্ষার জন্য বর্তমানে কোনো পরীক্ষাকেন্দ্র নেই। ফলে শিক্ষার্থীদের প্রায় ৩০–৩৫ কিলোমিটার দূরে আনোয়ারা সরকারি কলেজে গিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে হচ্ছে। সবচেয়ে বিস্ময়ের বিষয়, বাঁশখালীতে অতীতে ডিগ্রি পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল। আশির দশক থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত সেখানে পরীক্ষাকেন্দ্র চালু থাকার তথ্য রয়েছে। অর্থাৎ একসময় যে উপজেলায় ডিগ্রি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিচালনার সুযোগ ও সক্ষমতা ছিল, দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর ধরে সেই কেন্দ্র আর নেই। এর মধ্যে বদলে গেছে শিক্ষার পরিধি, বেড়েছে উচ্চশিক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ, বেড়েছে কলেজ ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা। কিন্তু পরীক্ষাকেন্দ্রের ক্ষেত্রে বাঁশখালী যেন পিছিয়ে পড়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে–একটি উপজেলায় যখন পাঁচটি ডিগ্রি কলেজ এবং প্রায় সহস্রাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে, তখন তাদের পরীক্ষার জন্য কেন অন্য উপজেলায় যেতে হবে? জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোর পরীক্ষাকেন্দ্র নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিশ্চয়ই নির্দিষ্ট নীতিমালা, অবকাঠামোগত মানদণ্ড, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং পরীক্ষার্থীসংখ্যার মতো বিষয় বিবেচনা করা হয়। কিন্তু কোনো এলাকার বাস্তবতা যদি সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়, তাহলে পুরোনো পরিস্থিতির ভিত্তিতে একটি ব্যবস্থা অনির্দিষ্টকাল ধরে বহাল রাখা যৌক্তিক হতে পারে না। বাঁশখালীর বর্তমান পরিস্থিতিও নতুন করে মূল্যায়নের দাবি রাখে।

বর্তমানে বাঁশখালীর পাঁচটি ডিগ্রি কলেজ হলো–পশ্চিম বাঁশখালী উপকূলীয় ডিগ্রি কলেজ, বাঁশখালী ডিগ্রি কলেজ, বাঁশখালী গার্লস ডিগ্রি কলেজ, সরকারি আলাওল ডিগ্রি কলেজ এবং মাস্টার নজির আহমেদ ডিগ্রি কলেজ। এসব প্রতিষ্ঠানে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী ডিগ্রি কোর্সে পড়াশোনা করছেন। তিনটি বর্ষ মিলিয়ে বিভিন্ন কলেজে পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও কম নয়। ফলে শুধু একটি কলেজের পরীক্ষার্থী নয়, পুরো উপজেলার ডিগ্রি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্থানীয় পরীক্ষাকেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে।পরীক্ষাকেন্দ্রের দূরত্বকে অনেক সময় কেবল ভৌগোলিক বিষয় হিসেবে দেখা হয়। বাস্তবে এটি শিক্ষার্থীদের জন্য সময়, অর্থ, নিরাপত্তা ও মানসিক চাপের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। একটি পরীক্ষার জন্য একজন শিক্ষার্থীকে নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগে বাড়ি থেকে বের হতে হয়। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয় গণপরিবহনে। স্থানীয় সড়কের যানজট কিংবা পরিবহন সংকট থাকলে সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরও একই দূরত্ব পাড়ি দিয়ে বাড়ি ফিরতে হয়। অর্থাৎ দুই বা তিন ঘণ্টার একটি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে একজন শিক্ষার্থীর প্রায় পুরো দিন ব্যয় হয়ে যেতে পারে। যাতায়াতের ভাড়া, খাবার এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচও যুক্ত হয়। একজন শিক্ষার্থীর জন্য এই ব্যয় হয়তো খুব বড় মনে নাও হতে পারে, কিন্তু কয়েকটি পরীক্ষার পুরো সময়সূচি বিবেচনা করলে বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিটি অতিরিক্ত খরচই বাস্তব চাপ তৈরি করে।

আরও একটি বিষয় বিবেচনার দাবি রাখে। ডিগ্রি কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সবাই পূর্ণকালীন শিক্ষার্থী নন। অনেকেই চাকরি, ব্যবসা, কৃষিকাজ কিংবা পারিবারিক দায়িত্বের পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে যান। কেউ সংসার পরিচালনা করেন, কেউ ছোট সন্তানকে দেখাশোনা করেন। তাঁদের জন্য দূরের পরীক্ষাকেন্দ্রে যাতায়াতের বিষয়টি শুধু অর্থ ও সময়ের নয়; এটি পারিবারিক ও পেশাগত দায়িত্বের সঙ্গেও যুক্ত। নারী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল। দূরের কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা দেওয়া, দীর্ঘ সময় যাতায়াত করা এবং একই সঙ্গে পারিবারিক দায়িত্ব সামলানো অনেকের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। উচ্চশিক্ষা যেন ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে কারও জন্য বাড়তি বোঝা হয়ে না দাঁড়ায়–এ বিষয়টি শিক্ষানীতির বৃহত্তর লক্ষ্যগুলোর সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা প্রয়োজন–শুধু পরীক্ষার্থীসংখ্যা থাকলেই যে কোনো কলেজকে পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে অনুমোদন দিতে হবে, এমন দাবি বাস্তবসম্মত নয়।পরীক্ষাকেন্দ্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, পর্যাপ্ত কক্ষ, নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবস্থা, যোগাযোগব্যবস্থা, পরীক্ষার পরিবেশ, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং পরীক্ষার গোপনীয়তা রক্ষার মতো বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করেই একটি কলেজকে কেন্দ্র হিসেবে অনুমোদন দেওয়া উচিত। কিন্তু এসব শর্ত পূরণের সম্ভাবনা যাচাই না করে শুধু দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্র নেই–এই অবস্থাকে স্থায়ী বাস্তবতা হিসেবে মেনে নেওয়াও সমাধান নয়। বরং প্রয়োজন একটি নিরপেক্ষ ও প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যায়ন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে বাঁশখালীর পাঁচটি ডিগ্রি কলেজের বর্তমান শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীসংখ্যা, অবকাঠামো, যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা পর্যালোচনা করতে পারে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কলেজগুলো পরিদর্শন করে কোন প্রতিষ্ঠান পরীক্ষাকেন্দ্র পরিচালনার জন্য উপযুক্ত, তা নির্ধারণ করা যেতে পারে। যদি একটি কলেজ সব শর্ত পূরণ করে, তাহলে সেখানে কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। আর যদি একাধিক কলেজ প্রয়োজনীয় মানদণ্ড পূরণ করে, তাহলে পরীক্ষার্থীসংখ্যা ও ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় একাধিক কেন্দ্রের সম্ভাবনাও যাচাই করা যেতে পারে। এখানে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোরও দায়িত্ব রয়েছে। শুধু দাবি জানানো নয়, পরীক্ষাকেন্দ্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগও থাকা দরকার। সংশ্লিষ্ট কলেজগুলো নিজেদের সক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে একটি সমন্বিত প্রস্তাব তৈরি করতে পারে। এতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন আরও কার্যকর হতে পারে। বাঁশখালীর বর্তমান বাস্তবতায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এই সমস্যাটিকে বিচ্ছিন্ন কোনো কলেজের সমস্যা হিসেবে না দেখে উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা-সুবিধা হিসেবে বিবেচনা করা। পাঁচটি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরা যদি একই ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হন, তাহলে এটি একটি কাঠামোগত সমস্যা। আর কাঠামোগত সমস্যার সমাধানও হতে হবে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে।

প্রায় ২৫ বছর ধরে একটি উপজেলা ডিগ্রি পরীক্ষাকেন্দ্রবিহীন থাকা নিঃসন্দেহে পুনর্মূল্যায়নের দাবি রাখে। কারণ একটি পরীক্ষাকেন্দ্র শুধু একটি ভবন বা কয়েকটি পরীক্ষার কক্ষ নয়; এটি শিক্ষার্থীদের সময়, অর্থ ও নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত একটি শিক্ষা-সুবিধা। স্থানীয় পর্যায়ে একটি উপযুক্ত কেন্দ্র থাকলে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ যাতায়াত কমবে, পরীক্ষার দিন বাড়তি সময় ও অর্থ ব্যয় হ্রাস পাবে এবং তাঁদের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপও কমবে। এ সমস্যার সমাধানে আবেগের চেয়ে বেশি প্রয়োজন তথ্য ও বাস্তবতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত। বর্তমানে কতজন শিক্ষার্থী ডিগ্রি কোর্সে অধ্যয়ন করছেন, প্রতিবছর কতজন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন, কোন কলেজের অবকাঠামো পরীক্ষাকেন্দ্রের জন্য উপযুক্ত, আনোয়ারা কেন্দ্রে যাতায়াতে শিক্ষার্থীদের কী ধরনের সময় ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে–এসব তথ্য সমন্বিতভাবে মূল্যায়ন করা দরকার। একই সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাকেন্দ্র নির্ধারণের নীতিমালায় যদি নির্দিষ্ট কোনো শর্তের কারণে বাঁশখালীতে কেন্দ্র অনুমোদন সম্ভব না হয়, তাহলে সেই কারণও সংশ্লিষ্টদের কাছে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আর যদি বর্তমান পরিস্থিতিতে কেন্দ্র স্থাপনের সুযোগ থাকে, তাহলে দীর্ঘসূত্রতা না করে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত।

উচ্চশিক্ষার সুযোগকে সহজলভ্য করা শুধু নতুন কলেজ প্রতিষ্ঠা বা শিক্ষার্থী ভর্তি বাড়ানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীরা যাতে শিক্ষা কার্যক্রমের প্রতিটি ধাপে বাস্তব সুবিধা পায়, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। একটি উপজেলায় পাঁচটি ডিগ্রি কলেজ থাকবে, প্রায় সহস্রাধিক শিক্ষার্থী সেখানে পড়াশোনা করবে, অথচ পরীক্ষার সময় তাঁদের অন্য উপজেলায় দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে–এ বাস্তবতা নিঃসন্দেহে নতুন করে ভাবার মতো।বাঁশখালীর শিক্ষার্থীদের জন্য এখন প্রয়োজন কোনো বিশেষ সুবিধা নয়; প্রয়োজন বিদ্যমান বাস্তবতার ন্যায্য মূল্যায়ন। দীর্ঘ ২৫ বছরের কেন্দ্রবিহীনতার অবসান ঘটিয়ে শিক্ষার্থীসংখ্যা, অবকাঠামো ও নীতিমালা বিবেচনায় একটি উপযুক্ত ডিগ্রি পরীক্ষাকেন্দ্র নির্ধারণ করা গেলে তা হবে সময়োপযোগী ও শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্ত।

সুতরাং বিষয়টি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া উচিত। প্রয়োজন হলে পরিদর্শন, তথ্য যাচাই ও অবকাঠামোগত মূল্যায়ন করা হোক। যোগ্যতা থাকলে উপযুক্ত কলেজকে কেন্দ্র হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হোক। কারণ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পথ যত সহজ ও নিরাপদ করা যায়, উচ্চশিক্ষার পরিবেশ ততই কার্যকর হয়।দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে বাঁশখালী যে বাস্তবতার মুখোমুখি, এখন সেটি পরিবর্তনের সময়। পাঁচটি ডিগ্রি কলেজ ও প্রায় সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় একটি স্থানীয় ডিগ্রি পরীক্ষাকেন্দ্র আর বিলাসিতা নয়; এটি সময়, অর্থ ও শিক্ষার্থীবান্ধব শিক্ষা-ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় অংশ।

 

লেখক-
শিব্বির আহমেদ রানা
(লেকখ–করামিস্ট)
বাঁশখালী, চট্টগ্রাম।
ই-মেইল: shibbirahmedctg1990@gmail.com

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews