
সংলাপ সংবাদদাতা ::: চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গন্ডামারা ইউনিয়নে মানবিক ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ‘জয়নাব-আলম ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে ৪ শতাধিক অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে পরিধেয় নতুন জামা-কাপড় ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
সম্প্রতি গন্ডামারা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের হাদির পাড়া লা-তু সিকদার বাড়িতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শীতার্ত মানুষের হাতে এসব শীতবস্ত্র ও নতুন পোশাক তুলে দেওয়া হয়। শীত মৌসুমে দরিদ্র মানুষের কষ্ট লাঘবে ফাউন্ডেশনের এ মানবিক উদ্যোগ এলাকাবাসীর ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে।
শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মাওলানা জসিম উদ্দিন, সৈয়্যদুল আলম, স্থানীয় ইউপি সদস্য মোছাম্মৎ কামরুন্নাহার, জয়নাব-আলম ফাউন্ডেশনের পরিচালক এহতেশাম রাবীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এনামুল হক সিকদার (মানিক) বলেন, ‘আমার মরহুম পিতা-মাতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁদের মানবিক আদর্শকে ধারণ করেই ‘জয়নাব-আলম ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এটি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকেন্দ্রিক সংগঠন নয়; বরং আর্ত মানবতার সেবায় নিয়োজিত একটি সম্পূর্ণ জনকল্যাণমূলক পারিবারিক উদ্যোগ।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, সমাজের প্রতিটি অসহায় মানুষ আমাদের দায়িত্বের অংশ। সেই মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই ফাউন্ডেশন নিয়মিতভাবে গরিব, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও আমাদের এ সেবামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় রয়েছে।’
শীতবস্ত্র ও নতুন পোশাক পেয়ে উপকারভোগীরা ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এমন মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, ‘জয়নাব-আলম ফাউন্ডেশন’ একটি মানবতার সেবায় নিয়োজিত জনকল্যাণমূলক সংগঠন।ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এনামুল হক সিকদার বর্তমানে গন্ডামারা ইউনিয়ন উন্নয়ন পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে হযরত আজগর আলী শাহ্ (রহঃ) জামে মসজিদ, জয়নাব-আলম ফোরকানিয়া মাদ্রাসা পরিচালিত হচ্ছে, গরিব ও দুস্থদের মাঝে অন্ন ও বস্ত্র বিতরণ, গরিব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসায় নগদ অর্থ সহায়তা, অসচ্ছল পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে আর্থিক সহযোগিতা, বিশুদ্ধ পানীয় জলের জন্য গভীর নলকূপ স্থাপন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।