বাংলাদেশের গ্রামীণ প্রশাসন কাঠামোর এক নীরব এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো গ্রাম পুলিশ। ইউনিয়ন পরিষদভিত্তিক এই কর্মীরা তৃণমূল পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রথম সারির ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো—দায়িত্বের পরিধি
বাংলাদেশের ধর্মীয়শিক্ষাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো কওমী মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা। দীর্ঘ ঐতিহ্য, ত্যাগ ও স্বাতন্ত্র্যের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা এই ধারাটি একসময় ছিল পরিবর্তনের প্রতি সতর্ক, কখনো কখনো কঠোরও। কিন্তু
ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ বিশ্ব রাজনীতি ও ইসলামি ইতিহাসের একটি চিরস্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে–সেই দিন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনীর দীর্ঘ শাসন ও সংগ্রামের পর মৃত্যু ঘটে, যা মুসলিম বিশ্বে গভীর সংবেদন ও
রাষ্ট্র পরিচালনার ইতিহাসে কিছু সময় থাকে, যখন দায়িত্ব নেওয়াটাই হয়ে ওঠে সাহসিকতার নাম। ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঠিক তেমনই এক কঠিন সময়ে দেশের হাল ধরেছিলেন। রাজনৈতিক অচলাবস্থা, সহিংসতা, প্রশাসনিক ভাঙন, অর্থনৈতিক
মানবতা কোনো হালকা শব্দ নয়। এটি দায়িত্ব, ত্যাগ ও নিঃস্বার্থতার এক দীর্ঘ সাধনার নাম। অথচ সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিসরে ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ শব্দবন্ধটি এমনভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যেন
“বল বীর, বল উন্নত মম শির! শির নেহারি’ আমারি, নত শির ওই শিখর হিমাদ্রির।” জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই অমোঘ আহ্বান যেন ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে এসে নতুন করে প্রাণ
বাংলাদেশের রাজনীতি আজ এমন এক বাঁকে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে পুরোনো কৌশল, পুরোনো ভাষা কিংবা পুরোনো আক্রমণাত্মক মনোভাব দিয়ে আর নেতৃত্ব ধরে রাখা সম্ভব নয়। বিশ্ব প্রযুক্তির দোলাচলে এগিয়ে গেছে বহু
দেশের গণমাধ্যম আজ এক গভীর সঙ্কটের মুখোমুখি। স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা যেখানে রাষ্ট্র ও সমাজের শক্ত ভিত্তি হওয়ার কথা, সেখানে এখন এক শ্রেণির অপেশাদার, সুযোগসন্ধানী ও অসাধু ব্যক্তির দৌরাত্ম্যে
এক সময় আগুন লাগলে মানুষ দৌড়ে যেত সাহায্য করতে। পাড়ার মানুষ, আত্মীয়-স্বজন, এমনকি অচেনা পথচারী পর্যন্ত মগ, কলসি, বালতি হাতে ছুটে যেত আগুন নেভাতে। পুকুর, খাল বা জলাশয় থেকে পানি
মানুষই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, কারণ তার আছে বিবেক, ন্যায়বোধ ও মানবতা। কিন্তু যখন মানুষই নিজের হাতে গড়ে তোলে এমনসব সামাজিক প্রথা, যা অন্য মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও সুখ কেড়ে নেয়-