এক সময় আগুন লাগলে মানুষ দৌড়ে যেত সাহায্য করতে। পাড়ার মানুষ, আত্মীয়-স্বজন, এমনকি অচেনা পথচারী পর্যন্ত মগ, কলসি, বালতি হাতে ছুটে যেত আগুন নেভাতে। পুকুর, খাল বা জলাশয় থেকে পানি
মানুষই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, কারণ তার আছে বিবেক, ন্যায়বোধ ও মানবতা। কিন্তু যখন মানুষই নিজের হাতে গড়ে তোলে এমনসব সামাজিক প্রথা, যা অন্য মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও সুখ কেড়ে নেয়-
ভোট মানেই মানুষের প্রত্যাশা, স্বপ্ন আর ভবিষ্যৎ বদলের একমাত্র বৈধ পথ। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, ভোটের আগে আর ভোটের পরে আমাদের বাস্তব চিত্র আকাশ-পাতাল ভিন্ন। ভোটের আগে প্রতিশ্রুতির মেলা বসে।
সাংবাদিকতা পেশাকে বলা হয় সমাজের চতুর্থ স্তম্ভ। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের প্রশ্নে সাংবাদিকতার ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু দুঃখজনক সত্য হলো- এই মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিককে প্রায়ই পড়তে হয় ভয়ংকর
বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে সাপের কামড় দীর্ঘদিন ধরেই ভয়াবহ জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিরাজ করছে। ধানক্ষেত, খামার, বাগান কিংবা বসতভিটায় কাজ করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত বহু মানুষ সাপের দংশনের শিকার হচ্ছেন। দুর্ভাগ্যজনক হলেও
ডিজিটাল যুগে ফেসবুক আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। তথ্য আদান-প্রদান, যোগাযোগ, বিনোদন থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু এ মাধ্যমের ইতিবাচক ব্যবহার যেমন সমাজকে এগিয়ে নিতে
চিকিৎসা সেবা মানবতার অন্যতম মহৎ পেশা। প্রাচীনকাল থেকে চিকিৎসককে সমাজে জ্ঞানী, দয়ালু ও মানবিক প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। রোগীরা ডাক্তারকে মানেন অভিভাবকের মতো, যার হাতে তাদের জীবন-মৃত্যুর ভার। কিন্তু দুঃখজনকভাবে,
মানবজীবনের প্রতিটি ধাপে ইসলামী শরীয়াহ্ আমাদের জন্য পথপ্রদর্শক। একজন মুসলমান জন্মের মুহূর্ত থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যে জীবনযাত্রা অনুসরণ করে, তা মূলত শরীয়াহ্-নির্দেশিত। শিশুর জন্মের পরপরই তার ডান কানে আজান ও
বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জ কিংবা শহর-সবখানেই মসজিদ ও মাদরাসা আমাদের ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনের অপরিহার্য অংশ। এগুলো শুধুই ইবাদতের স্থান নয়, বরং মানবিকতা, একতা ও সম্প্রীতিরও কেন্দ্র। কিন্তু দুঃখজনকভাবে অনেক এলাকায় দেখা
প্রবাসীরা কেবল অর্থ পাঠান না—তাঁরা প্রিয় মাতৃভূমির জন্য এক অপ্রতিরোধ্য নির্ভরতার নাম। তাঁরা দেশের জন্য পরিশ্রম করেন, ঘাম ঝরান, জীবন উৎসর্গ করেন-তবু প্রাপ্য সম্মান পান না। সময় এসেছে তাঁদের ‘রেমিট্যান্স