
নিজস্ব সংবাদদাতা::: চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ জহিরুল ইসলামের সঙ্গে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, বাঁশখালী শাখার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) বিকেলে বাঁশখালী পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ সংসদ সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং সনাতনী সম্প্রদায়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
এ সময় নেতৃবৃন্দ মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, অবকাঠামোগত সংস্কার, ধর্মীয় অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নভাবে পালন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়ে সংসদ সদস্যের সহযোগিতা কামনা করেন।
পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা বলেন, ‘বাঁশখালীতে দীর্ঘদিন ধরে সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রয়েছে। সকল ধর্মের মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে এ পরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। সনাতনী সম্প্রদায়ের বিভিন্ন প্রয়োজন ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সংসদ সদস্যের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আমরা আশা করি।’
জবাবে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে লালন করি। অতীতেও সনাতনী সম্প্রদায়ের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম, আগামীতেও থাকব। আপনাদের মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জরুরি অবকাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজন হলে আমাকে জানাবেন। আমি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিষয়গুলো বিবেচনা করার চেষ্টা করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাঁশখালী ধর্মীয় সম্প্রীতির একটি অনন্য জনপদ। এখানে সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। এই সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। আপনাদের যেকোনো প্রয়োজনে আমাকে পাশে পাবেন।’
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন পৌর জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ আবু তাহের, পৌর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফরিদ উদ্দিন রাজু, বাঁশখালী উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক প্রণব কুমার দাশ, সদস্য সচিব প্রকৌশলী সঞ্জয় চক্রবর্তী মানিক, উপদেষ্টা সুধীর মল্লিক রায়, লায়ন শেখর দত্ত, সাবেক সভাপতি ডা. আশীষ শীল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ঝন্টু কুমার দাশ, যুগ্ম আহ্বায়ক সাজু দাশ সাজিত, মাস্টার সাগর দাশ, অজিত সরকার, নন্দন সুশীল, সুবল দাশ, ডা. বিবরণ দাশসহ পরিষদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সভায় ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা, সামাজিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি এবং এলাকার উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
