1. news@banshkhalisanglap.com : বাঁশখালী সংলাপ : বাঁশখালী সংলাপ
  2. info@www.banshkhalisanglap.com : বাঁশখালী সংলাপ :
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাছবাহী পিকআপ-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল দুই যাত্রীর, আহত ২ বাঁশখালী রুটে ঈদফেরত যাত্রীদের ‘পকেট কাটতে’ গিয়ে ধরা, চার পরিবহনে জরিমানা বাঁশখালীতে মাদকাসক্ত ছেলেকে আইনের হাতে তুলে দিলেন মা: ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৬ মাসের কারাদণ্ড বাঁশখালীতে পিকআপ-সিএনজির সংঘর্ষ, কর্মস্থলে ফেরার পথে প্রাণ গেল যুবকের শাহ আমানত দাখিল মাদরাসা প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন বঙ্গোপসাগরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য, মাছভর্তি নৌযান আটক আড়াই লাখ জরিমানা ফুটবল খেলতে গিয়েই ট্র্যাজেডি, লবণ মাঠের গর্তে ডুবে প্রাণ গেল শিশু আদিলের বাঁশখালী রুটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে পুলিশের অভিযান, যাত্রীদের টাকা ফেরত PinUp официальный сайт казино | Играть в казино онлайн в Казахстане Пинап казино официальный сайт зеркало — играть в казино онлайн из Казахстана

ঝুঁকিপূর্ণ ডাকবাংলোর আড়াই কি.মি সড়ক, বর্ষায় শঙ্কিত শীলকূপের পশ্চিমাঞ্চলের হাজার বসতি

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৭০ বার পড়া হয়েছে

শিব্বির আহমদ রানা:::

ডাকবাংলো সড়ক। বাঁশখালী প্রধান সড়কের দারোগা বাজার হতে শুরু হয়ে পুরান বাজার-জালিয়াখালী নতুন বাজার-পশ্চিমে মনকিচর আবু বক্কর মাদরাসা-গন্ডামারা ব্রিজ হয়ে গন্ডামারা ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটিই ডাকবাংলো সড়ক নামে পরিচিত। গন্ডামারা ইউনিয়নের সাথে বাঁশখালী উপজেলা সদরে যোগাযোগের বিকল্প সড়ক ছিল এটি। শীলকূপ টাইমবাজার থেকে গন্ডামারা ব্রিজপর্যন্ত মরহুম আবুল হোসেন সড়কটি নির্মাণ হওয়ার পর থেকে গুরুত্ব হারায় দীর্ঘ কয়েকযুগের পুরনো এ সড়কটি। এ সড়কের জালীয়াখালী নতুন বাজারের পশ্চিম অংশ হতে মনকিচর মাদরাসা হয়ে গন্ডামারা ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটারের সড়কটি এখনো তার গুরুত্ব হারায় নি। প্রায় এ আড়াই কিলোমিটার সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়ত করে শীলকূপের ১০ হাজারের অধিক জনগোষ্টি।

ডাকবাংলো সড়কের জালিয়াখালী নতুন বাজারের পশ্চিম অংশ হতে গন্ডামারা ব্রিজ পর্যন্ত সড়কটি জলকদর সংলগ্ন হওয়ায় এটি সংস্কার করা খুবই জরুরি। শীলকূপের পশ্চিম অঞ্চল ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের বৃহত্তম জনগোষ্টির চলাচলের একমাত্র সড়ক এটি। ৯১’র পর থেকে সড়কটি তার সংস্কারের মূখ দেখেনি বলে জানান স্থানীয়রা। প্রায় আড়াই কিলোমিটার সড়কের অর্ধেকাংশে এক যুগ আগে কার্পেটিং করা হলেও এখন সড়কের চিহ্ন বিলীনের পথে। এমনিতে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত। বর্ষা মৌসুমে এর অবস্থা হয়ে পড়ে আরও বেহাল। উপকূলবর্তী এ জনগোষ্টি বর্ষায়, বন্যায়, জলোচ্ছ্বাসে থাকে শঙ্কায়। কবে নাগাদ সড়ক ভেঙে সাগরের পানি ডুকে লোকালয়ে! গেল কয়েক বর্ষা মৌসুমে সড়কের বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ডুকে। এতে বসতঘর, মাছের প্রজেক্ট, পুকুর, ফসলী জমি ডুবে লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, জালিয়াখালী বাজার থেকে গন্ডামারা বাজার পর্যন্ত জালিয়াখালী জলদকর খাল ঘেষে ডাকবাংলো সড়কের প্রায় আড়াই কি.মি পর্যন্ত সড়কটির বেহাল দশা। শীলকূপ ইউনিয়নের ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ড এবং সরল ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের লোকজন নানা প্রয়োজনে এ সড়ক দিয়ে যাতায়ত করে। এ সড়ক দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়ত করতে হয় মনকিচর ইসলামীয়া এমদাদুল উলুম বড় মাদরাসা, পশ্চিম মনকিচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, আল-হুমায়রা বালিকা মাদরাসা, ফয়জানে নূরে মদিনা মাদরাসা, জামেয়া নূরীয়া মাদরাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। এ সড়কটি সংস্কার হলে নিরাপদ থাকবে পুরো শীলকূপের নিম্নাঞ্চল। স্থায়ী একটি টেকসই সড়ক নির্মাণ হলে বর্ষা মৌসুমে জলকদের জলের আতংক থাকবে না এলাকাবাসীর।

শীলকূপ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মহসিন বলেন, ‘গত ২০১৯-২০ সালের অর্থবছরে ডাকবাংলো সড়কের জালিয়াখালী বাজারের পশ্চিমাংশ হতে মনকিচর মাদরাসার পরে মাও অছিয়র রহমান বাড়ী পর্যন্ত সংস্কারের জন্য ১ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকার টেন্ডার হয়। পরে সড়কের কোনো কাজই হয়নি। সড়কের রি-টেন্ডার করলে কাজটি পুনরায় শুরু হবে বলে প্রত্যাশা তার।’

ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রাশেদ নুরী জানান, ‘প্রায় প্রতিবছর ওই সড়কের হেডপাড়া অংশে বর্ষায় ভেঙে যায়। বসতঘরে পানি ডুকে, ফসলি জমি নষ্ট হয়। ক্ষতি হয় লক্ষ লক্ষ টাকার সম্পদ। এ বছর বর্ষার আগেই আমি নিজ অর্থায়নে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে মাটিভরাট করি যাতে বড়ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা হয়। আমার মেয়াদে সড়কটি সংস্কারে কাজ করে যাবো। প্রয়োজনে উর্ধ্বতনে বিষয়টি আবারও অবগত করবো। এ সড়কটি মেরামত হলে পুরো শীলকূপ উপকৃত হবে। বর্ষাকালীন মৌসুমে সাগরের পানি ডুকে পড়ার শঙ্কা থেকে মুক্তি পাবে কয়েক হাজার জনগোষ্টি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাঁশখালী উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) কাজী ফাহাদ বিন মাহমুদ বলেন, ‘পুরনো টেন্ডারের প্রক্রিয়া শেষ। নতুন করে টেন্ডার করতে হবে। এখন নতুন কোনো প্রকল্প হাতে নেই। সড়কটির স্টিমিট প্রস্তুত করে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষ বরাবর পাঠাবো। আপ্রাণ চেষ্টা করবো যত দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা যায়।’

ছবি: ডাকবাংলো সড়কের মনকিচর হেডপাড়া সংলগ্ন
ঝুঁকিপূর্ণ অংশ।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট