
এ অবস্থার জন্য রশিদ আহমদ ওরফে ‘রইশ্যা ডাকাত’ নামে এক ব্যক্তিকে দায়ী করছেন এলাকাবাসী। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, চুরি ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তার কার্যকলাপে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ অনুযায়ী, রশিদ আহমদ উপজেলার শীলকূপ ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি সরল ইউনিয়নের পূর্ব কাহারঘোনায় ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করছেন। এলাকাবাসীর দাবি, তিনি সেখানে বসে একটি শক্তিশালী ইয়াবা নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশেষ করে তরুণদের মাদকের দিকে আকৃষ্ট করা হচ্ছে, যা পরিবার ও সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি একটি সংঘবদ্ধ চোর সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক এবং তার বসতঘর থেকেই মাদক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা ও চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, অতীতে এসব ঘটনায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে এবং তিনি কারাভোগও করেছেন।
এসব অভিযোগের প্রতিবাদে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পূর্ব কাহারঘোনা এলাকায় স্থানীয়দের উদ্যোগে একটি প্রতিবাদ সভা ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। তবে এরপরও তার কার্যক্রম বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, ‘আমরা আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত। এলাকায় খুব সহজেই মাদক পাওয়া যাচ্ছে। তরুণরা বিপথে যাচ্ছে। আমরা চাই প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিক।’
এ বিষয়ে এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় এনে পূর্ব কাহারঘোনা এলাকাকে মাদকের প্রভাব থেকে রক্ষা করা জরুরি।