বাঁশখালী সংলাপ প্রতিনিধি::: চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়নে পৈতৃক পাহাড়ি জমি থেকে গামারি গাছ কেটে নেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন এক ব্যক্তি।অভিযোগকারী ফয়সাল উদ্দীন (২৫) উপজেলার চাম্বল ইউনিয়নের পূর্ব চাম্বল খলিফাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি গত সোমবার (১ জুন) বাঁশখালী থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন।
লিখিত অভিযোগে ফয়সাল উদ্দীন উল্লেখ করেন, উপজেলার জঙ্গল চাম্বল মৌজার বিএস খতিয়ান নং-৩৪ এর অন্তর্ভুক্ত তাদের পৈতৃক পাহাড়ি জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে রয়েছে। গত ২৭ মে সকাল ১০টার দিকে একই এলাকার নাছির উদ্দীন তাঁর লোকজন নিয়ে ওই জমিতে প্রবেশ করে ৩০ বছরের বেশি বয়সী আটটি গামারি গাছ কেটে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় গাছ কাটার ফলে আম, পেয়ারাসহ বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছেরও ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
ফয়সাল উদ্দীনের দাবি, এ ঘটনায় তাঁর প্রায় ৭০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছে জানতে চাইলে তিনি গাছ কাটার কথা স্বীকার করেন এবং এ সংক্রান্ত অডিও রেকর্ড তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী আরও বলেন, 'গাছ কাটার প্রতিবাদ করায় অভিযুক্ত ব্যক্তি ভবিষ্যতে আরও গাছ কেটে নেওয়া ও জমি দখল করার হুমকি দিয়েছেন। এমনকি আইনি পদক্ষেপ নিলে হত্যা করারও হুমকি দেওয়া হয়েছে।'
ফয়সাল উদ্দীন বলেন, 'আমি বিষয়টি নিয়ে আইনগত প্রতিকার চাই। প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেছি।'
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত নাছির উদ্দীনের মুঠোফোনে বলেন, 'আমরা গাছ কাটছি। এটা আমাদের পৈত্রিক জায়গা ছিল। দীর্ঘদিন ধরে তারা দখলে রেখেছেন। এখন সুযোগ হয়েছে তাই গাছ কেটেছি। এটা তাদের কোনো জায়গা নয়, আমাদের কাছে কাগজপত্র আছে।'
বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক বলেন, 'অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
প্রকাশক ও সম্পাদক : শিব্বির আহমদ রানা, ফোন নম্বর: ০১৮১৩৯২২৪২৮, 𝐄-𝐦𝐚𝐢𝐥: 𝐛𝐚𝐧𝐬𝐡𝐤𝐡𝐚𝐥𝐢𝐬𝐚𝐧𝐠𝐥𝐚𝐩@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦
অস্থায়ী ঠিকানা: স্মরণিকা প্রিন্টিং প্রেস। উপজেলা সদর, জলদী, বাঁশখালী, পৌরসভা, চট্টগ্রাম
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত