বাঁশখালী সংলাপ::: সাগরে ৫৮ দিনের মৎস্য আহরণ নিষেধাজ্ঞা চলাকালে আইন অমান্য করে মাছ শিকার ও বরফ পরিবহণের অভিযোগে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপকূলে দুইটি নৌযানের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে মৎস্য বিভাগ ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। অভিযানে এসময় মোট ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
রোববার (১৭ মে) রাতে বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় বাঁশখালী মোহনায় পৃথক অভিযানে নৌযান দুটি আটক করা হয়।
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ৭ টার সময় বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় বাঁশখালী মোহনা এলাকায় এফবি রিয়াদ নামের একটি মাছ ধরার নৌযানকে মৎস্য আহরণরত অবস্থায় আটক করা হয়। এ সময় নৌযানটি থেকে প্রায় ১.৫ টন সামুদ্রিক মাছ জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত মাছ সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ভ্যাট ও ট্যাক্সসহ ১ লাখ ৫ হাজার টাকায় উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। একই সঙ্গে নৌযানটির মালিককে সমপরিমাণ ১ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অপরদিকে একই দিন রাত সাড়ে ৯টার সময় খাটখালী এস আলম জেটি সংলগ্ন মোহনা এলাকায় এফবি আল্লাহর দান নামের আরেকটি নৌযান মাছবিহীন অবস্থায় বরফ পরিবহণ করতে গিয়ে আটক হয়। এ সময় নৌযানটি থেকে ২০০ পিস বরফ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত বরফসমূহ সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সমুদ্রে ফেলে বিনষ্ট করা হয় এবং নৌযানটির মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে মুচলেকার মাধ্যমে দুইটি নৌযান মালিকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বাঁশখালীর সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তৌসিব উদ্দিন। সহযোগিতায় ছিলেন বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পূর্ব জোন বিসিজি কন্টিনজেন্ট, বাঁশখালীর সিসি মো. আবদুর রশীদ।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তৌসিব উদ্দিন বলেন, 'সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে সরকার ঘোষিত ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আইন অমান্য করে কেউ মাছ আহরণ বা এ-সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করলে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

প্রকাশক ও সম্পাদক : শিব্বির আহমদ রানা, ফোন নম্বর: ০১৮১৩৯২২৪২৮, 𝐄-𝐦𝐚𝐢𝐥: 𝐛𝐚𝐧𝐬𝐡𝐤𝐡𝐚𝐥𝐢𝐬𝐚𝐧𝐠𝐥𝐚𝐩@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦
অস্থায়ী ঠিকানা: স্মরণিকা প্রিন্টিং প্রেস। উপজেলা সদর, জলদী, বাঁশখালী, পৌরসভা, চট্টগ্রাম
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত