||শেষ পর্যায়ের চিকিৎসায় প্রয়োজন ৩০-৪০ লাখ টাকা; ইতোমধ্যে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬০-৭০ লাখ||
নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী অমিত কান্তি সুশীল গত তিন বছর ধরে মরণব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছেন। দীর্ঘ এই সময়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হলেও বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে উঠেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভারতের কলকাতার টাটা হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে অমিতের চিকিৎসা শুরু হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সারের প্রয়োজনীয় সব ধাপ সম্পন্ন করা হলেও সম্প্রতি তার শরীরের একাধিক স্থানে নতুন করে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়েছে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ ‘ইমিউনিটি বুস্ট’ ইনজেকশন এবং রেডিওথেরাপি জরুরি হয়ে পড়েছে। এ চিকিৎসার অংশ হিসেবে মোট ১৯টি ইনজেকশন প্রয়োগের প্রয়োজন রয়েছে। প্রতিটি ধাপে, অর্থাৎ প্রতি ২১ দিনে ইনজেকশন ও রেডিওথেরাপি মিলিয়ে ব্যয় হচ্ছে প্রায় দেড় লাখ টাকা।
চিকিৎসার এই ধাপ সম্পূর্ণ করতে আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা। এর আগে গত তিন বছরে অমিতের চিকিৎসায় তার পরিবার প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা ব্যয় করেছে, যা তাদের আর্থিক সক্ষমতাকে প্রায় নিঃশেষ করে ফেলেছে।
বর্তমানে বাকি চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া পরিবারের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অমিতের সহপাঠী, সিনিয়র-জুনিয়র ও এলাকাবাসী সমাজের সকল শ্রেণির মানুষের কাছে মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।
সহপাঠীদের ভাষ্য, 'অমিত আমাদের স্কুল ও এলাকার একজন পরিচিত মুখ। তার এই কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সবাই যার যার অবস্থান থেকে সামান্য সহায়তা করলেও একটি জীবন বাঁচানো সম্ভব।'
সহযোগীতা পাঠাতে-
বিকাশ: ০১৬৩৫-৭৮৯৫৭৩ (তারেক, ১৯ ব্যাচ)
বিকাশ/নগদ: ০১৮৩২৩২০৫০৮ (সাজ্জাত, ১৯ ব্যাচ)
মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অমিত কান্তি সুশীলের চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক : শিব্বির আহমদ রানা, ফোন নম্বর: ০১৮১৩৯২২৪২৮, 𝐄-𝐦𝐚𝐢𝐥: 𝐛𝐚𝐧𝐬𝐡𝐤𝐡𝐚𝐥𝐢𝐬𝐚𝐧𝐠𝐥𝐚𝐩@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦
অস্থায়ী ঠিকানা: স্মরণিকা প্রিন্টিং প্রেস। উপজেলা সদর, জলদী, বাঁশখালী, পৌরসভা, চট্টগ্রাম
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত