নিজস্ব প্রতিবেদক::: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সাত প্রার্থীর মধ্যে চারজন তাদের জামানত হারিয়েছেন।
নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে তার জমা দেওয়া জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৩৬ হাজার ৯৫৮টি। বিধিমালা অনুযায়ী জামানত রক্ষায় ন্যূনতম প্রয়োজনীয় ভোট দাঁড়ায় ১৮ হাজার ৯৫৭টি। এর কম ভোট পাওয়ায় চার প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।
প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ৮৯ হাজার ৯৬০ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩৭ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ লেয়াকত আলী ফুটবল প্রতীকে ৫৫ হাজার ৭১ ভোট পেয়ে জামানত রক্ষা করেছেন।
তবে এ আসনে ন্যূনতম ভোটের সীমা অতিক্রম করতে না পারায় চার প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তাঁরা হলেন—হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাফেজ রুহুল্লাহ (৩ হাজার ৯৭৮ ভোট), চেয়ার প্রতীকে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ মনোনীত আব্দুল মালেক (৮১১ ভোট), ট্রাক প্রতীকে গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত মো. আরিফুল হক (২৪১ ভোট) এবং হারিকেন প্রতীকে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ মনোনীত এহছানুল হক (১০৪ ভোট)।
নির্বাচন অফিসের তথ্যমতে, বাঁশখালী উপজেলায় মোট ভোটার ৪ লাখ ৪ হাজার ৫৬০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১৩ হাজার ৮১৯ জন, নারী ১ লাখ ৯০ হাজার ৭৩৭ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪ জন। মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৪০২টি, বাতিল ভোট ছিল ৪ হাজার ৫৫৬টি। এ আসনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৫৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
প্রকাশক ও সম্পাদক : শিব্বির আহমদ রানা, ফোন নম্বর: ০১৮১৩৯২২৪২৮, 𝐄-𝐦𝐚𝐢𝐥: 𝐛𝐚𝐧𝐬𝐡𝐤𝐡𝐚𝐥𝐢𝐬𝐚𝐧𝐠𝐥𝐚𝐩@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦
অস্থায়ী ঠিকানা: স্মরণিকা প্রিন্টিং প্রেস। উপজেলা সদর, জলদী, বাঁশখালী, পৌরসভা, চট্টগ্রাম
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত