সংলাপ সংবাদদাতা::: চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি বসতঘরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নের শামবলী পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী নুরুল আমিন প্রকাশ মলই অভিযোগ করে বলেন, জায়গা-জমি নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই এলাকার নুরুল হক, কলিম উল্লাহ, আব্দুল হালিম, হাবীব উল্লাহসহ তাদের নেতৃত্বে ১৬ থেকে ১৮ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তার বসতঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়। এতে ঘরে থাকা মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। একই সঙ্গে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
নুরুল আমিন আরও জানান, আগুন লাগানোর সময় আশপাশের লোকজন ছুটে এলে অভিযুক্তরা গুলি ছুড়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে, ফলে কেউ ঘটনাস্থলে যেতে পারেনি। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিদর্শন করে। তিনি দাবি করেন, অভিযুক্তদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এর আগেও অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের মিথ্যা মামলা দেওয়ার এবং বিভিন্ন সময়ে খুন ও জখমের হুমকি দিয়ে আসছে। এতে তার ও তার পরিবারের জীবন বর্তমানে চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য কামাল উদ্দিন বলেন, উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল এবং একাধিকবার সালিশ-বিচারও হয়েছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কারা জড়িত তা তিনি নিশ্চিতভাবে বলতে পারেননি।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত নুরুল হক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাদের মৌরশি সম্পত্তিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে নুরুল আমিন পক্ষ দলবল নিয়ে অস্থায়ী বসতি স্থাপন করে। এ ঘটনায় বাঁশখালীস্থ অস্থায়ী সেনা ক্যাম্পে অভিযোগ জানানো হলেও তারা তা অমান্য করে। পরে আমাদের ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে নিজেরাই ঘরে আগুন দিয়েছে।
এ বিষয়ে বাঁশখালী থানার এক তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, বসতঘরে আগুন লাগার ঘটনা সত্য। তবে কে বা কারা এ অগ্নিকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা তদন্ত শেষে জানা যাবে।
উল্লেখ্য, উভয় পক্ষের মধ্যে দেড় বছর ধরে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলমান রয়েছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক : শিব্বির আহমদ রানা, ফোন নম্বর: ০১৮১৩৯২২৪২৮, 𝐄-𝐦𝐚𝐢𝐥: 𝐛𝐚𝐧𝐬𝐡𝐤𝐡𝐚𝐥𝐢𝐬𝐚𝐧𝐠𝐥𝐚𝐩@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦
অস্থায়ী ঠিকানা: স্মরণিকা প্রিন্টিং প্রেস। উপজেলা সদর, জলদী, বাঁশখালী, পৌরসভা, চট্টগ্রাম
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত